Amrapali Mango | আম্রপালি আম

আম্রপালি আম (Amrapali Mango) বা আমরুপালী আম বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ মিষ্টতার একটি আধুনিক আমের জাত। স্বাদে এটি ল্যাংড়া বা হিমসাগরের তুলনায় আরও বেশি মিষ্টি হওয়ায় আমপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত। আকারে ছোট হলেও এর ঘন শাঁস, আকর্ষণীয় রঙ এবং অসাধারণ স্বাদ একে অন্যান্য জাত থেকে আলাদা করেছে।

আম্রপালি গাছ তুলনামূলক খাটো ও কম জায়গায় বেড়ে ওঠে, ফলে বাগান ব্যবস্থাপনায় এটি বেশ সুবিধাজনক। গাছে সাধারণত গুচ্ছ আকারে ছোট ছোট আম ধরে, যা দেখতে খুবই আকর্ষণীয়। পাকার পর আমের খোসায় কমলা-লাল আভা দেখা যায়, যা বাজারে এর চাহিদা আরও বাড়িয়ে তোলে।

পুষ্টিগুণের দিক থেকেও আম্রপালি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। অন্যান্য বাণিজ্যিক আমের তুলনায় এতে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা শরীরে ভিটামিন-এ এর ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া এর শাঁস ঘন, আঁশ কম এবং দীর্ঘসময় সংরক্ষণযোগ্য হওয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবেও বেশ জনপ্রিয় একটি জাত।

  •  ১০০% খাঁটি ও কেমিক্যাল মুক্ত
  •  ১০০% মানি ব্যাক গ্যারান্টি
  •  ১০০% নিরাপদ পেমেন্ট
  •  ডেলিভারি চার্জ, পণ্যের মূল্যের সাথে সংযুক্ত
Category: Brand:
আম্রপালি--পাক্ষিক
আম্রপালি–পাক্ষিক

আম্রপালি আম (Amrapali Mango) আধুনিক উদ্ভাবিত আমের জাতগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ও বিস্ময়কর একটি নাম। ভারতের বিখ্যাত আম গবেষকদের উদ্ভাবিত এই জাতটি “দশহরী” ও “নীলাম” আমের সংকরায়নের মাধ্যমে ১৯৭৮ সালে তৈরি করা হয়। “আম্রপালি” নামটি নেওয়া হয়েছে ভারতের ইতিহাসখ্যাত নর্তকী আম্রপালির নাম থেকে, যার স্মৃতিকে অমর করে রেখেছে এই সুস্বাদু আমের জাত।

বাংলাদেশে ১৯৯০ সালের দিকে প্রথম এই জাতের চারা প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে বৈধভাবে আমদানি ও বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আম্রপালির বাগান গড়ে উঠেছে এবং এর উচ্চ ফলন ও গুণগত মানের কারণে বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে।

আম্রপালি আমের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর নিয়মিত ফলন। যেখানে অনেক উন্নত জাতের আম এক বছর বেশি ফলন দেয় এবং পরের বছর কম ফলন হয়, সেখানে আম্রপালি প্রায় প্রতি বছরই ভালো ফলন দেয়। গাছ বামন আকৃতির হওয়ায় কম জায়গায় অধিক সংখ্যক গাছ রোপণ করা সম্ভব, যা বাণিজ্যিক চাষের জন্য অত্যন্ত লাভজনক।

স্বাদের দিক থেকেও আম্রপালি অনন্য। এর মিষ্টতার পরিমাণ ল্যাংড়া ও হিমসাগরের তুলনায় বেশি। শাঁস ঘন, আঁশবিহীন এবং অত্যন্ত সুস্বাদু। পাকার পর এর রঙ ও ঘ্রাণ আমপ্রেমীদের সহজেই আকৃষ্ট করে।

আম্রপালি আমের বৈশিষ্ট্য

  • ফলের আকৃতি লম্বাটে
  • আষাঢ় মাসে পাকে
  • মিষ্টতার পরিমাণ প্রায় ২৩% বা তার বেশি
  • আঁটি সরু ও ছোট
  • শাঁস ঘন, রসালো ও আঁশবিহীন
  • গাছ বামন আকৃতির ও অধিক ফলনশীল
  • বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী

উচ্চ মিষ্টতা, নিয়মিত ফলন, দীর্ঘ সংরক্ষণক্ষমতা এবং রপ্তানিযোগ্য মানের কারণে আম্রপালি বর্তমানে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বাণিজ্যিক আমের জাত হিসেবে পরিচিত।

Shopping Cart